প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মামলায়ও জামিন পেয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
তৌহিদ আফ্রিদির আইনজীবী ইকবাল মাহমুদ শোভন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তৌহিদ আফ্রিদির বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় তিনি আগেই হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। আজ ওয়ারী থানার মামলায়ও জামিন পেয়েছেন। এখন মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।
নথি থেকে জানা গেছে, গত বছরের ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
এজাহারে বলা আছে, গত বছরের ১৩ জানুয়ারি সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যুতি হোয়াটসঅ্যাপে একটি ফ্রিল্যান্সিং কাজের প্রস্তাব পান। ‘ফাতেমা ঐশ্বী’ পরিচয়ে এক ব্যক্তি তাকে গুগলে রিভিউ দেওয়ার কাজ এবং টেলিগ্রাম অ্যাপ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। প্রথমে কাজের পারিশ্রমিক হিসেবে তাকে ৩০০ টাকা দেওয়া হয়। পরদিন ‘লিসা’ নামে আরেক ব্যক্তি তাকে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করেন। সেখানে অন্য সদস্যদের টাকা বিনিয়োগ করে লাভসহ ফেরত পাওয়ার স্ক্রিনশট দেখে আশ্বস্ত হয়ে দ্যুতি প্রথমে দুই হাজার টাকা পাঠান। ওই দিনই তিনি আসলসহ দুই হাজার ৮০০ টাকা ফেরত পান।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, পরবর্তীতে বিভিন্ন ধাপে আরও বিনিয়োগে উৎসাহিত করে তার কাছ থেকে মোট দুই লাখ ৩৫ হাজার টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারী থানায় মামলা দায়ের করেন সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যুতি। এরপরে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।