কয়েক ঘণ্টার আকস্মিক ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট খাগড়াছড়ি সদরের প্লাবিত নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নেমে গেছে। পাশাপাশি দীঘিনালা উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা থেকে এখনও পানি পুরোপুরি সরেনি। গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) সারাদিন বৃষ্টি না হওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে।
শুক্রবার রাতের ভারি বর্ষণ ও ঢলে নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার বেশ কিছু এলাকায় আচমকা বন্যা দেখা দেয়। এতে তলিয়ে গেছে মাঠের আউশ ও আমন ধানসহ বিভিন্ন ফসল। পাশাপাশি অনেক মাটির ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে।
এদিকে পানি নেমে যাওয়ার পর সদরের মেহেদীবাগ ও নিচের বাজারসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ঘরবাড়ি ও দোকানপাট থেকে কাদা ও জমা পানি পরিষ্কার করতে দেখা গেছে স্থানীয়দের।
খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মো. মিনহাজ বলেন, জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে সদরের ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাবীন বলেন, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন এবং তাদের ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।