কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ পুনরায় বাড়তে শুরু করেছে। মজুত ফুরিয়ে একটি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে যে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছিল, নতুন কার্গো ভেরায় তা কাটতে শুরু করেছে।
দুটির মধ্যে একটি টার্মিনালের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত বুধবার সেটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তীব্র গ্যাস সংকটের পাশাপাশি গ্যাসচালিত ২৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রও বন্ধ হয়ে যায়।
ইতোমধ্যে মজুত শেষ হওয়া টার্মিনালটিতে এলএনজিবাহী কার্গো এসে যাওয়ায় গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে সেটি ফের চালু করা হয়। এর ফলে শনিবার দুপুর আড়াইটা নাগাদ দুটি টার্মিনাল দিয়ে ৬৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হয়, যা ক্রমশ বেড়ে আজ ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে। প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহে সক্ষম টার্মিনাল দুটির সরবরাহ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা বলেন, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টায় ‘ফ্লেক্স কারেজেস’ জাহাজ মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে ভেড়ে। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে কেনা এলএনজিবাহী জাহাজটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যামেরন পোর্ট থেকে এসেছে।