ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনসহ স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’। একই সঙ্গে গ্রাহকদের কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের দাবি জানান তারা।
আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে এসব দাবি তুলে ধরেন ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।
‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ আয়োজিত কর্মসূচিতে সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ না থাকায় নানা সমস্যা জড়িয়ে পড়েছে ব্যাংকটি। এতে ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতাও বাড়ছে। ব্যাংকটি স্বাভাবিক কার্যক্রমে আসছে নানা বাধা। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্রাহকসহ পুরো ব্যাংক। এর নেতিবাচক প্রভাবও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়ছে। তাই দ্রুত পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করতে হবে।
এদিকে, এস আলম গ্রুপের মালিকাধীন থাকাকালে ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগ পাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিলেন। একই সময়ে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা সেখানে কর্মসূচি পালন করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে তা সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় রূপ নেয়।
কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় গ্রাহক ফোরামের অভিযোগ, চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রথমে তাদের কর্মসূচিতে হামলা চালান। সংগঠনটির দাবি, এতে সভাপতি অধ্যাপক নুর নবী মানিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
তবে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা তাদের ওপর প্রথমে হামলা করেছেন। তাদের দাবি, সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
গ্রাহকদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে ধরে সচেতন গ্রাহক ফোরামের সহসভাপতি মুতাসিম বিল্লাহ বলেন, আজকের কর্মসূচিতে যারা হামলা চালিয়েছে তাদের দ্রুত শনাক্ত করে বিচার করতে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
