তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় গোপনে বিমান বদল করেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ও সিক্রেট সার্ভিসের নির্দেশে এই গোপনীয়তার আশ্রয় নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। খবর বিবিসির।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ওহাইওতে বিমান বাহিনীর একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সিক্রেট সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর নির্দেশ অনুযায়ী চলি। তারা আমাকে অন্য একটি ফ্লাইটে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল, আর আমাকে তাদের কথাই মেনে চলতে হয়েছে।’
প্রতিবেদনে জানা যায়, গত ৮ জুলাই তুরস্কের আঙ্কারা বিমানবন্দরে ডোনাল্ড ট্রাম্প সুনির্দিষ্ট ক্যামেরার সামনে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বিমানে ওঠেন। তবে পরে কৌশল হিসেবে বিমানের অন্য প্রান্ত দিয়ে একটি ক্যাটারিং ট্রাকে করে গোপনে নেমে যান। এরপর ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্যবহৃত সি-৩২এ সামরিক বিমানে চড়ে বসেন।
সাংবাদিক ও হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তা মূল বিমানেই রয়ে গিয়েছিলেন। তাদের বিমানের জানালাগুলো বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল। পরে মার্কিন সংবাদমাধ্যম বিবিসির সহযোগী সিবিএস নিউজ ও নিউ ইয়র্ক টাইমস নিশ্চিত করে, ন্যাটো সম্মেলনের স্থানে কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখার পর এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ওই সময়ে ইরানের দিক থেকেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্ভরযোগ্য হুমকি চিহ্নিত করা হয়েছিল।
বিমান বদলের এই পুরো নাটকীয় প্রক্রিয়া চলার মাত্র একদিন আগেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরান লক্ষ্য করে নতুন করে সামরিক হামলা শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।