চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় জামিন নিতে মাগুরা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে এসেছেন পদ্মা ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা রুহুল আমিন পলাশ। শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ থাকায় তাকে স্ট্রেচারে করে এজলাসে আনা হয়।
আজ মঙ্গলবার (১১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন রুহুল আমিন পলাশ। শুনানি শেষে তার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় নিয়ে আপাতত চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আদালত।
এ বিষয়ে রুহুল আমিন পলাশের আইনজীবী মো. রমজান আলী রিপন বলেন, তিনি (আসামি) দীর্ঘদিন স্নায়ুজনিত জটিলতায় ভুগছেন। তার কোমর থেকে নিচের অংশ অবশ হয়ে গেছে। তিনি অন্যের সহায়তা ছাড়া চলাফেরা কিংবা দৈনন্দিন কাজ করতে পারেন না। আদালতে আসামির শারীরিক অবস্থা তুলে ধরে জামিনের আবেদন করা হয়।
আইনজীবী মো. রমজান আলী রিপন বলেন, রুহুল আমিন পলাশ ব্যাংকের একজন জুনিয়র কর্মকর্তা ছিলেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করা ছাড়া তিনি কোনো অর্থ আত্মসাৎ বা জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। মামলায় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।
এরপর শুনানিতে আসামির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে আদালত বলেন, আসামিকে কারাগারে পাঠানো হলে চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল বা কারা হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। পরে আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে রুহুল আমিন পলাশকে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেন। শারীরিকভাবে সুস্থ হওয়ার পর তাকে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।