সাদিয়ার সঙ্গে প্রেম ছিল, বিচ্ছেদের পর কেন আর একসঙ্গে কাজ করেন না বাসার?

একসময় ছোট পর্দার জনপ্রিয় জুটি ছিলেন খায়রুল বাসার ও সাদিয়া আয়মান। একসঙ্গে বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করতে গিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে। শোবিজে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা হলেও এতদিন দুজনের কেউই সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেননি। বরং বরাবরই বিষয়টিকে গুঞ্জন বলে এড়িয়ে গেছেন তাঁরা।

তবে এবার এক পডকাস্টে এসে সেই সম্পর্কের বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন খায়রুল বাসার। অভিনেতা জানিয়েছেন, সাদিয়া আয়মানের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে সেই সম্পর্ক কয়েক বছর আগেই ভেঙে গেছে।

বাসার জানান, নাটকে অভিনয় শুরুর আগেই বিজ্ঞাপনের কাজে সাদিয়ার সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। কাজের সূত্রে পরিচয় থেকে ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়, যা একসময় প্রেমের সম্পর্কে গড়ায়।

তবে ঠিক কী কারণে তাঁদের সম্পর্কের ইতি ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি অভিনেতা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তখন গুঞ্জন বলে উড়িয়ে দিতাম। কারণ ভালো কিছু ভালো থাকে না। ভালো রাখাটা কঠিন হয়ে যায়। এ কারণেই এড়িয়ে যেতাম। তবে সাদিয়ার সঙ্গে আমার প্রেম ছিল।’

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরই বদলে যায় তাঁদের পেশাগত সমীকরণও। একটা সময় নিয়মিত একসঙ্গে নাটকে দেখা গেলেও হঠাৎ করেই পর্দায় তাঁদের উপস্থিতি কমে যায়। বিষয়টি নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়।

এবার সেই কারণও জানিয়েছেন বাসার। তাঁর ভাষ্য, প্রেমের সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর দুজনের সম্মতিতেই একসঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

অভিনেতা বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে, আমাদের একসঙ্গে কাজ না করা ভালো। দুজনের জন্য ভালো বলেই আমরা কাজ করছি না। দর্শক আমাদের দেখতে চায় কিন্তু আমাকে তো স্বাভাবিক থেকে কাজটা করতে হবে। তাঁকেও স্বাভাবিক থাকতে হবে। সত্যি বলতে আমরা ওই জায়গাটি রাখিনি।’

অর্থাৎ ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েনের পর পেশাগতভাবে একই পর্দায় কাজ করাটাও তাঁদের জন্য স্বস্তিদায়ক নয় বলেই মনে করছেন বাসার। দর্শকের আগ্রহ থাকলেও তাই আপাতত একসঙ্গে অভিনয় করছেন না তাঁরা।

করোনার পরবর্তী সময়ে ছোট পর্দায় নিয়মিত জুটি হিসেবে দর্শকের নজর কেড়েছিলেন খায়রুল বাসার ও সাদিয়া আয়মান। তাঁদের অভিনীত ‘ডুব সাঁতার’, ‘বাবুই পাখির বাসা’, ‘জলতরঙ্গ’, ‘দই ফুচকা’ ও ‘দ্য ফার্স্ট কেস’-এর মতো নাটকও দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *