রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররম মিয়ার আট টুকরা মরদেহ উদ্ধারের মামলায় তার ‘প্রেমিকা’ তাসলিমা বেগম ওরফে হাসনা আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি এই স্বীকারোক্তি গ্রহণ করেন। এদিন ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক মিঠু তাকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার আবেদন জানান। এছাড়া অপর আসামি আব্দুল মতিনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মনিরুজ্জামান এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বুধবার (২০ মে) হাসনাকে নরসিংদী থেকে এবং আব্দুল মতিনকে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর শনিরআখড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) হাসনার বান্ধবী হেলেনা বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। হেলেনার মেয়ে হালিমা আক্তার কিশোরী হওয়ায় তাকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
মোকাররম মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে তালশহরে। গত রোববার মুগদার মান্ডা থেকে কয়েক টুকরা লাশ উদ্ধারের পর তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় মোকাররমের চাচা রফিকুল ইসলাম সোমবার মুগদা থানায় মামলা করেন।