এবারের বাজেটকে একটি ‘জীবনমুখী বাজেট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এই বাজেটের মূল লক্ষ্যই হলো দেশের অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। সরকার প্রধান জানান, রাজস্ব সংস্কার, প্রান্তিক মানুৃষকে সুরক্ষা, আর উদ্ভাবনী অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে। জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান সরকারপ্রধান।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে দেওয়া এক বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেন, এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য তিনটি—সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দেশে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়ানো।
তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বৃদ্ধি এবং একটি নতুন উদ্ভাবনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা।
সংসদ নেতা আরও উল্লেখ করেন, দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা প্রদান এবং দেশের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার বিষয়টি বাজেট প্রণয়নে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষায় অগ্রাধিকার দিয়েছে বলেই এখাতে বরাদ্ধ বাড়ানো হয়েছে। কৃষি, ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়াবিদ তৈরি আর টেকসই প্রবাসী শ্রমবাজার নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। জাতির টেকসই ভবিষ্যত গড়তে কাজ করছে সরকার, জানান প্রধানমন্ত্রী।
বাজেট পরবর্তী বাজার পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে দেখা গেছে বাজেট এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হুহু করে বাড়তো। কিন্তু আমাদের কার্যকর পদক্ষেপের কারণে এবার বাজেটের পর নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি।
রাজনৈতিক দর্শনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিস্টদের মতো আমরা অতীত-আশ্রয়ী রাজনীতি করবো না; আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা হবে ভবিষ্যৎমুখী।
এসএন/কে