দ. আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ

উইকেট কঠিন ছিল, দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররাও দারুণ বোলিং করেছেন। কিন্তু সেটার কোনো উত্তর খুঁজে পাননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। গুটিয়ে গেছে স্রেফ ৮৯ রানে। এরপর বোলাররাও অবিশ্বাস্য কিছু করতে পারেননি। ফলে বড় ব্যবধানে হেরেই ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ।

আজ শনিবার (১ আগস্ট) দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রনক্লুফ ওভালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩০.২ ওভারে গুটিয়ে যাওয়ার আগে মোটে ৮৯ রান করে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। জবাব দিতে নেমে ১৮.৪ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল।

টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের জন্য আমন্ত্রণ জানায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। প্রোটিয়া বোলারদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে শুরু থেকেই হাত খুলে খেলতে পারেননি লাল-সবুজের ব্যাটাররা। ইনিংসের প্রথম ৪ ওভারে মোটে ৩ রান তুলতেই সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক জাকির হাসান।

নয় বল খেলে মাত্র ১ রান করে জাকির ফেরার পর আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন বাকিরা। শাহাদাৎ হোসেন ৮, ইফতেখার হোসেন ২ আর মাহিদুল ইসলাম করেন মাত্র ২ রান। শুরুর সেই ধাক্কা আর সামাল দিতে পারেনি বাংলাদেশ।

নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোর খেসারত দিতে হয়েছে ইনিংসের শেষভাগে। দলের স্কোর বড় করার বদলে মাত্র ১৬ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ৩০ ওভার ২ বলে স্রেফ ৮৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।

একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যাওয়া ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম ৭৩ বল খেলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন। এছাড়া বাকিদের মধ্যে দুই অঙ্কের ঘর ছুঁতে পেরেছেন কেবল দুজন—আমিনুল ইসলাম ১১ ও সামিউন বাসীর করেন ১০ রান।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে একাই ৫ উইকেট শিকার করেন দাইয়ান গালিম।

৯০ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলও অবশ্য শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল। ইনিংসের প্রথম ওভারেই পেসার ইকবাল হোসেন ইমনের শিকার হয়ে শূন্য রানে ফেরেন জর্ডান কিং।

পরে চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান আরও দুটি উইকেট তুলে নিলেও জয় আটকানো যায়নি। রিচার্ড সেলেটসওয়ানের ৩৫ এবং মিচেল ভ্যান ব্যুরেনের ১৮ রানের সুবাদে ১৮ ওভার ৪ বলেই সহজ জয় তুলে নেয় প্রোটিয়ারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *