ফুটবল দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলার একটি। এরপরও পৃষ্ঠপোষকতার সংকট ছিল অনেক। হামজা চৌধুরি বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়ার পর থেকে স্পন্সররাও ফুটবলে ভিড় জমানো শুরু করছেন। কিট, টিম স্পন্সরের পর এবার হামজাদের ট্রাভেল পার্টনার পেয়েছে বাফুফে। আসন্ন সান মারিনো সফরে আকিজ এয়ার বাংলাদেশ দলের ট্রাভেল পার্টনার।
পুরুষ, নারী সিনিয়র ও বয়স ভিত্তিক দল মিলিয়ে বাংলাদেশ বছরে অসংখ্যবার বিদেশ সফর করে। বিমান ভাড়া বাবদ কোটি টাকার উপরে বাফুফের ব্যয়। বাফুফে সাধারণত বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির কাছ থেকে কোটেশন নিয়ে বিমান টিকিট নিশ্চিত করে। এবার সান মারিনো সফরে আকিজ এয়ার হামজাদের টিকিটের দায়িত্ব নিয়েছে। বাংলাদেশ দলের জন্য বেস্ট পসিবল রুট নির্ধারণ করে বাফুফেকে সুবিধাজনক মূল্যে টিকিট প্রদান করবে।
আজ দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, ‘সাধারণত টিকিটের উপর এজেন্ট বা ট্রাভেল এজেন্টরা একটা কমিশন আমাদের ছাড় দেয়। আকিজ এয়ার সেই ছাড় তো দেবেই এর উপর আরো বেশ কয়েক শতাংশ তারা নিজেরা বহন করবে। এটি আমাদের জন্য বেশ সাশ্রয়ী হবে। সান মারিনো সফরে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের ৩৪ জনের জন্য এটা প্রযোজ্য।’
সান মারিনো ইতালির মধ্যেই একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ঢাকা থেকে ইতালির রাজধানী রোমে সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে বাংলাদেশ বিমানের। এই ফ্লাইট অনেক ব্যস্ত থাকায় বাফুফে পুরো কন্টিনজেন্টের টিকিট পায়নি। তাই অন্য এয়ারলাইন্স নিয়ে কাজ করছে আকিজ এয়ার।
আকিজ এয়ারের সঙ্গে বাফুফের চুক্তিটি আপাতত শুধু সান মারিনো সফর নিয়ে। এটি দীর্ঘমেয়াদী নয় কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে ফাহাদ বলেন, ‘আমাদের অনেক সময় সফরের আগের দিন টিকিট রি-ইস্যু বা পরিবর্তন করতে হয়। আমরা একটি সফরে আগে ট্রায়াল দিয়ে দেখি তাদের সঙ্গে পথচলা কেমন হয় এরপর বড় মেয়াদে এটি হতে পারে।’ আকিজ এয়ারের সিসিও দারাজ মাহমুদ বলেন, ‘আকিজ গ্রুপ বেশ সুনামের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা করছে। আমরা ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পেরে আনন্দিত। আশা করি আমরা সামনে আরো অনেক কাজ করব।’
এসএন/পিডিকে