ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করে উদযাপন করছেন লামিনে ইয়ামাল। ছবি : এএফপি
ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ম্যাচের ঘড়ির কাঁটায় তখন মাত্র দুই মিনিট পূর্ণ হয়েছে, ঠিক তখনই দুর্দান্ত এক গোল করে স্পেনকে এগিয়ে নেন তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল। তার গোলটি জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়।
উয়েফা নেশন্স লিগের নতুন মৌসুমের শুরুতেই ‘এ’ গ্রুপের হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই পরাশক্তি ইংল্যান্ড ও স্পেন। তবে ঘরের মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ইংলিশদের শুরুটা যে এমন দুঃস্বপ্নের মতো হবে, তা হয়তো কেউ ভাবেনি। ম্যাচের মাত্র দ্বিতীয় মিনিটেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়তে হয় তাদের।
অবশ্য স্পেনের এই গোলের পেছনে কিছুটা অবদান ছিল ইংলিশ রক্ষণভাগের ভুলেরও। নিজেদের রক্ষণভাগ থেকে বল পায়ে নিয়ে মাঠের ওপরে ওঠার চেষ্টা করার সময় বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন ডিফেন্ডার মার্ক গুয়েহি। আর সেই সুযোগটিই লুফে নেন স্পেন ফরোয়ার্ড ইয়ামাল। ইংলিশ ডিফেন্ডারের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দুর্দান্ত গতিতে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। এরপর নিখুঁত শটে গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ডকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন।
ফুটবল পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ‘অপ্টা’র তথ্য অনুযায়ী, বিখ্যাত ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটি যেকোনো প্রতিপক্ষের করা তৃতীয় দ্রুততম গোল।
এর আগে দীর্ঘ ফুটবল ইতিহাসে মাত্র দুবার এর চেয়ে দ্রুত গোল হজম করার তেতো স্বাদ পেয়েছিল থ্রি লায়ন্সরা। যার মধ্যে ১৯৫৩ সালে হাঙ্গেরির কিংবদন্তি নান্দোর হিদেগকুতি এবং ১৯৫৭ সালে স্কটল্যান্ডের টমি রিং ম্যাচের একেবারে প্রথম মিনিটেই ইংল্যান্ডের জালে বল পাঠিয়েছিলেন।
অর্থাৎ, প্রায় সাত দশক বা সত্তর বছর পর এই প্রথম ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম দুই মিনিটের মধ্যে কেউ এত দ্রুত গোল করার কীর্তি গড়ল। ১৯৫৭ সালের পর এই ঐতিহাসিক মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই মিনিটের মধ্যে গোল করা তৃতীয় কোনো দেশ হিসেবে স্পেনের নামও এখন ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেল।
sn/sks