এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান শেষে বের হলেই আমাকে ও আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা করা হয়। বিনা উসকানিতে ফটিকের লোকজন হামলা করে বলে জানান তিনি।
অপরদিকে কাজী জাকশেদুর রহমান ফটিক বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে পৌর কমিটির নেতাকে আমন্ত্রণ না জানানোয় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে স্লোগান দেন। এ সময় আহ্বায়ক কমিটির নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালালে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমান বলেন, এ ঘটনায় আমার মোবাইল ফোন ভেঙে গেছে। আমার গায়েও ইট পড়েছে। তবে সংঘর্ষের আশঙ্কায় সকাল থেকেই বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। এর পরও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশ টহল দিচ্ছে।