বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলার আলোচনায় ছিলেন কাভান সুলিভান আর কুইন সুলিভান। এই দুই ভাইয়ের খেলার আলোচনা থেমে গেলেও তাদের ছোট দুই ভাই রোনান সুলিভান ও ডেক্ল্যান সুলিভান সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী খেলেছেন। তাই বাংলাদেশের ফুটবলে এখন পরিচিত একটি নাম ‘সুলিভান ব্রাদার্স’।
এবার মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে কাভান সুলিভান ও কুইন সুলিভান মুখোমুখি হয়েছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির। তবে ম্যাচটি মোটেও সুখকর হয়নি সুলিভান ব্রাদার্সের জন্য। শেষ মুহূর্তে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে কাভান সুলিভানকে আর হলুদ কার্ড দেখেছেন কুইন সুলিভান।
অন্যদিকে, মাঠে জাদুকরি পারফরম্যান্স ও গোল-অ্যাসিস্ট করেও ইন্টার মায়ামিকে জয় এনে দিতে পারেননি মেসি, ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের।
ঘরের মাঠ সুবারু স্টেডিয়ামে ফিলাডেলফিয়া আতিথ্য দিয়েছিল ইন্টার মায়ামিকে। ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়লেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে লিড নিয়েছিল মায়ামি। তবে ৫৮তম মিনিটে গোল শোধ করে ম্যাচটি ২-২ সমতায় শেষ করে স্বাগতিক ফিলাডেলফিয়া।
ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে দুই দলের খেলোয়াড়দের হাতাহাতির ঘটনায় ফিলাডেলফিয়ার কাভান সুলিভান ও মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট সরাসরি লাল কার্ড দেখেন।
ম্যাচের ১১তম মিনিটে ইন্ডিয়ানা ভাসিলেভের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। এরপর মিনিট দশেক বাদেই ড্যানিয়েল পিন্টারের গোলে সমতায় ফেরে মায়ামি। এই গোলটির কারিগর ছিলেন মেসি। এর মাত্র ৫ মিনিট পর প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে বাঁ পায়ের চমৎকার শটে জাদুকরী এক গোল করে মায়ামিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন মেসি।
বাবা হোর্হে মেসির প্রয়াণে বেশ কিছুদিন শোকের ছায়ায় ছিলেন তিনি। তবে ক্লাবে ফিরে কিছুটা মানসিক অবসাদ সামলে নিয়ে চিরচেনা রূপেই ধরা দিলেন মেসি। চলতি মেজর লিগ সকারের আসরে ১৭ ম্যাচে এটি তার ১৩তম গোল, পাশাপাশি তার ঝুলিতে রয়েছে ৯টি অ্যাসিস্ট। এছাড়া ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে খেলা শেষ ছয় ম্যাচে এটি তার ষষ্ঠ গোল।
এর আগে ফিলাডেলফিয়া ম্যাচের মুখোমুখি হওয়ার আগে টানা তিন ম্যাচ হেরেছিল মায়ামি। সবশেষ ন্যাশভিলের কাছে পরাজয়ের ফলে এমএলএসে তাদের দীর্ঘ সাত ম্যাচের অপরাজিত যাত্রার ইতি ঘটেছিল।