বোলিংয়েই জয়ের পথ সুগম করে দিয়েছিলেন বোলাররা। দারুণ পারফরম্যান্সসে ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস অব দক্ষিণ আফ্রিকাকে আটকে রাখলেন মাঝারি রানেই। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে আশাহত করলেও শাহাদত হোসেন দিপু আর ইরফান শুক্কুরের ব্যাটিংয়ে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।
আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) দক্ষিণ আফ্রিকায় ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস অব দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। প্রথমে ব্যাট করে ৩৩.৫ ওভারেই ১৬৬ রান করে স্বাগতিকরা। জবাবে ২১.৫ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতল সফরকারীরা।
মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ব্যর্থ হয়ে ফিরেছেন দুই ওপেনার। মাহফিজুল ইসলাম রবিনের ব্যাট থেকে এসেছে ৮ রান আর শূন্য রানেই ফিরেছেন হাবিবুর রহমান সোহান। চার নম্বরে নামা ইফতেখার হোসেন ইফতিও ফিরেছেন দ্রুতই। ২২ বলে ১৭ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।
তবে এরপর আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি তিন নম্বরে নামা শাহাদাত হোসেন দিপু আর পাঁচ নম্বরে নামা ইরফান শুক্কুর। দুজন মিলে জুটি গড়ে ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস অব দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের শাসন করে জয় এনে দেন বাংলাদেশকে।
দুজনই অপরাজিত থেকেছেন হাফসেঞ্চুরি করে। দিপু করেছেন ৫৬ বলে ৭৩ রান আর শুক্কুর ৩৯ বলে ৫৮ রান। বাংলাদেশ লক্ষ্য ছুঁয়েছে মোটে ২১.৫ ওভারে।
এর আগে দারুণ বোলিংয়ে ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস অব দক্ষিণ আফ্রিকাকে মাঝারি রানেই আটকে রাখে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। ইনিংসের শুরু থেকেই স্বাগতিকদের ওপর চাড়াও হন বাংলাদেশি বোলাররা।
টাইগার বোলারদের তোপের মুখে মাত্র তিনজন ব্যাটার তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেন। ৩৩.৫ ওভারেই গুটিয়ে যায় মোটে ১৬৬ রান করেই।
ইনিংসের সূচনা করতে নেমে ওপেনার লুডউইক শুল্ড হাফসেঞ্চুরি করেন। ৫৭ বলে ৫১ রান করেন তিনি। আর বাকিদের যাওয়া-আসার ভিড়ে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করেন তিন নম্বরে নামা ডেভিড টিগার। তার ৫৭ বলে ৭২ রানের ইনিংসই প্রোটিয়াদের লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেয়। এর বাইরে ১০ রান করেছেন সোলোমনস।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট শিকার করেন অলরাউন্ডার মোহাম্মদ রিজওয়ান। সমান দুটি করে উইকেট নেন বর্ষণ আর আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। একটি করে উইকেট যায় ইকবাল হোসেন ইমন আর রাতুলের ঝুঁলিতে।