শেষ মুহূর্তের গোলে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান

ম্যাড়ম্যাড়ে প্রথমার্ধে কোনো উত্তাপই দেখা গেল না। ধীর গতির ফুটবল খেলল জাপান-নেদারল্যান্ডস দুই দলই। গোলও হলো না। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে দেখা গেল পুরোপুরি ভিন্ন চিত্র। এই অর্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠল দুই দল। ফলাফলও এলো, ৪বার বল জড়ালো দুই দলের।

আজ সোমবার (১৫ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে মাঠে নেমেছিল নেদারল্যান্ডস আর জাপান। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শেষ হয়েছে ২-২ গোলের সমতায়।

প্রথমার্ধে বেশিরভাগ সময় বল নিজেদের পায়ে রেখে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে নেদারল্যন্ডস। তবে সুবিধা করতে পারেনি তারা। জাপানও দুয়েকবার কাউন্টার অ্যাটাকের চেষ্টা করে। কিন্তু ফলাফল একই। ফলে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।

নেদারল্যান্ডসের উল্লাস বেশি সময় স্থায়ী হতে দেয়নি এশিয়ার দেশ জাপান। ৭ মিনিট পরই ম্যাচে সমতা ফেরায় তারা। ডানদিকে গোললাইনের কাছে থেকে দুজনকে কাটিয়ে বক্সের মধ্যে পাস দেন নাকামুরা। সেই পাস ধরে সামনে থাকা ডাচ ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে জোড়ালো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তাকেফুসা কুবো।

জাপানের সমতা টানার পর আবারও লিড নিতে সময় নেয়নি নেদারল্যান্ডস। ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে ডাচদের লিড এনে দেন ক্রিসেনসিও সামারভিল। রায়ান গ্রাভেনবার্ককের কাছ থেকে বল পেয়ে দারুণ শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন সামারভিল।

ম্যাচের ৬৬তম মিনিটে আক্রমণে ওঠে জাপান। ৩০ গজ বক্সের বাইরে বল পেয়ে যান কুবো। তার বুলেট গতির শট চলে যায় গোলবারের সামান্য ওপর দিয়ে।

ম্যাচের ৭২তম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠেছিল নেদারল্যান্ডস। নিজেদের অর্ধ থেকে লং বল বাড়ান নেদারল্যান্ডসের এক ফুটবলার। সেই বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সে ঢুকে গোলের জন্য শট নিয়েছিলেন কোডি গাকপো। কর্ণারের বিনিময়ে সেটি রক্ষা করেন জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি।

জয় থেকে অল্প কিছুটা দূরে ছিল নেদারল্যান্ডস। ততক্ষণে হয়ত ডাচ সমর্থকরা জয় উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাদের সেই প্রস্তুতিতে জল ঢেলে দেন জাপানের দাইচি কামাদা। কোকি ওগাওয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে দারুণ হেডে বল জালে জড়ান তিনি।

শেষদিকে দুই দলই চেষ্টা করলেও আর গোলের দেখা পায়নি। ফলে ২-২ গোলের সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *