৮০ লাখ কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য

প্রায় ৮০ লাখ পিস কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে আছেন ট্যানারি মালিকেরা। এবারে সরাসরি রাজধানী ঢাকা থেকে কোরবানির চামড়ার ৮০ শতাংশ কিনবেন নিজেরাই।

চামড়ার মান ভালো হলে সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম দেবেন ট্যানারি মালিকেরা, একথা জানিয়ে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ বলেন, এবারে হয়তো তুলনামূলক কম পশু কোরবানি হবে। তারপরও এবার ৭৫ থেকে ৮০ লাখ কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়েছি। লবণ, শ্রমিক ও পরিবহন বাবদ ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কাঁচা চামড়ার দাম কিছুটা কম হতে পারে।

এদিকে কোরবানির পশুর চামড়া কিনতে ১৬০ কোটি টাকা মতো ঋণ দিয়েছে দেশের সরকারি তিন ব্যাংক। এছাড়া বেসরকারি বেশকিছু ব্যাংক চামড়া কেনার জন্য ঋণ দিয়েছে। অবশ্য ঋণ খেলাপি কারনে অনেক ব্যবসায়ী ঋণ পাননি। এতে ব্যাংকগুলো লক্ষ্য মতো ঋণ দিতে পারেনি।

ব্যাংকগুলো ঈদে ব্যবসায়ীদের চামড়া কেনার জন্য যে ঋণ দিয়েছে, সেটা পর্যাপ্ত না বলে জানিয়েছে ট্যানারিমালিকেরা। তারা বলেন, প্রায় এক দশক আগে ঢাকা থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়াশিল্প নগর স্থান্তারিত হয়। স্থান পরিবর্তন ও পরিবেশদূষণের কারণে সেখানে চামড়ার রপ্তানিমূল্য কমে যায়। ব্যবসা কমায় বেশিরভাগ ট্যানারি ব্যবসায়ী খেলাপি ঋণে ডুবে যায়। ফলে অনেকেই ঋণ চেয়েও পাচ্ছেন না।

সোনালী ব্যাংকের একাধিক গ্রাহক ঋণের জন্য আবেদন করলেও শুধু চামড়া কিনতে ভুলুয়া ট্যানারিকে ঋণ দিয়েছে ব্যাংকটি। সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শওকত আলী খান বলেন, অনেকে আবেদন করলেও একটি ট্যানারি ঋণ পাওয়ার যোগ্য ছিল। রূপালী ব্যাংকের দুজন গ্রাহক চামড়া কেনার ঋণের জন্য আবেদন করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ঋণ পাননি তাঁরা। অগ্রণী ব্যাংক দুই গ্রাহককে ঋণ দিয়েছে। এরা হলো- এপেক্স ট্যানারি ও বে ট্যানারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *