যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন। এটি ১৯৭৯ সালের পর যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ান কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রচলিত প্রোটোকল থেকে বড় ধরনের বিচ্যুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে এবং দ্বীপটির স্বাধীনতার যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে। অন্যদিকে তাইওয়ান নিজেদের একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করছে।
ট্রাম্প বলেছেন, তিনি তাইওয়ানের নেতার সঙ্গে অস্ত্র বিক্রিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন এবং তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে কাজ করবেন। তিনি একই সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ককে অত্যন্ত ভালো বলেও উল্লেখ করেন।
চীন এ ধরনের সরাসরি যোগাযোগের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে কোনো ধরনের ভুল বার্তা না দেয়।
১৯৭৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে। তবে ১৯৭৯ সালের আইন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র এখনো তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র সরবরাহ করে থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্ক এবং তাইওয়ান প্রণালীর নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।
এসএন/পিডিকে