ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রতিনিধিদের উপস্থিতি কম থাকার বিষয়ে এবং কীভাবে বাড়ানো যায়— নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে তা জানতে চেয়েছেন জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন।
রবিবার (১৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে ইউএন ওমেনের প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আখতার আহমেদ বলেন, “যে নির্বাচন হয়ে গেলো তার অভিজ্ঞতার আলোকে নির্বাচন পরবর্তী পর্যবেক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন তারা (ইউএন উইমেন)। নির্বাচনে নারী প্রতিনিধিদের উপস্থিতি কম থাকার বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। কীভাবে বাড়ানো যায় সেটা বলেছেন। আমরা বলেছি ৭ জন নারী সংসদ সদস্য আছেন। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী আরও ছিল। এখন তাদেরতো নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসতে হবে।”
তিনি বলেন, “আমরা জানিয়েছি যে ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে সংরক্ষিত ৫০ জনসহ মোট ৩৫৭ জন আছে। স্থানীয় নির্বাচনে এটা আরও বাড়বে।”
ভোটার সংখ্যার মধ্যে নারী পুরুষের পার্থক্য কমিয়ে আনার বিষয় উল্লেখ করে ইসি সচিব আরও বলেন, “ভোটার তালিকাতে নারী-পুরুষের গ্যাপ তিন মিলিয়ন ছিল। এটা কমিয়ে এক দশমিক আট মিলিয়নে আনা হয়েছে। এটা আরও কমানোর জন্য চেষ্টা করছি। এছাড়া এবারের নির্বাচনে কোনও সহিংসতা হয়নি, কারও ভোট বাক্স ছিনতাই হয়নি বলে জানিয়েছি।”
এসময় ইউএন উইমেনের পক্ষ থেকে কোনও সাজেশন দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তারা আমাদের সঙ্গে কাজ করছেন। সেটা অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছেন।”
এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে ইউএন উইমেনের প্রতিনিধি দল। ইউএন উইমেনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন— অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল এবং ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ন্যারাদজাই গুম্বনজভান্দা, রিজিওনাল ডিরেক্টর ক্রিস্টিন আরব, রিপ্রেজেন্টেটিভ (প্রতিনিধি) গীতাঞ্জলি সিং, ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ নবনীতা সিনহা ও ইউনিট ম্যানেজার তপাটি সাহা।
এসএন/পিডিকে