ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলার উদ্দেশ্যে ধাওয়া করেছে বলে অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে আসেন হবিগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহদী হাসান। আজ বুধবার (১০ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে মাহদী হাসান এ অভিযোগ করেন। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন।
মাহদী হাসানের দাবি, সকালে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় ড্রাইভিং পরীক্ষা দিয়ে বিরতিতে খাবারের উদ্দেশে অটোরিকশা দিয়ে কোর্ট মসজিদ এলাকায় রওনা দিলে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সামনে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে ধাওয়া করে। পরে তিনি দ্রুত অটোরিকশাযোগে প্রেসক্লাব সড়ক হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় আশ্রয় নেন।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, মাহদী হাসান থানায় এসে অভিযোগ করেছেন যে, তাকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ধাওয়া করেছে। তবে তার ফেসবুক লাইভের ভিডিও ফুটেজে কাউকে দেখা যায়নি। এরপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। তিনি বলেন, মাহদীর ফেসবুক লাইভেই তার অভিযোগের অসারতা প্রমাণ হয়েছে। লাইভে তিনি যখন রিকশার পেছনের অংশ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে কাউকে দেখা যায়নি। ছাত্রদলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও সাজানো। এটি শুধুমাত্র ভাইরাল হওয়ার একটি অপচেষ্টা।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয় মাহাদী হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং আজকের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়াতে যাবেন।