শাপলা গণহত্যা ঠেকানো গেলে জুলাই গণহত্যা ঠেকানো যেত : নাহিদ ইসলাম

ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স আয়োজিত আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শাপলা গণহত্যা বাংলাদেশে বড় ক্ষত তৈরি করেছে। শাপলা গণহত্যাকে ঠেকানো গেলে, জুলাইয়ের গণহত্যা ঠেকানো যেত। অনেকে এই হত্যাকাণ্ড সমর্থন করেছে, সাফাই গাইছে। ১৩ দফা দাবি আপনি সমর্থন করতে পারেন অথবা নাও করতে পারেন। কিন্তু দাবি নিয়ে আসা জনগণের ওপর কোনো গণহত্যা চালানো সমর্থন করতে পারেন না। দাবি জানানোর কারণে গণহত্যা চালাতে পারে না।

আজ মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা: বিচারহীনতার এক যুগ’-শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

নাহিদ ইসলাম বলেন, নিরস্ত্র, নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা যেকোনো আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ। এরকম অপরাধ করার পরও শেখ হাসিনা সংসদ ভবনে কটুক্তি করে করে কথা বলেছে।

আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে উল্লেখ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে। তারা যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি তখন আলেমদের পাশে দাঁড়াতে পারেনি। 

আওয়ামী লীগ মাদ্রাসা ছাত্রদের জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত করতো উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, মাদ্রাসা ছাত্রদের জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের দাড়ি টুপি ওয়ালাদের শিবির বলা হতো। আমরা এসব আর মেনে নেব না। এদেশের সব আন্দোলনে, মুক্তির লড়াইয়ে এদেশের আলেম ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের অবদান জাতীয় ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সীমান্তে কাঁটাতার বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, সীমান্তে হত্যা করে কোনো দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় না। কাঁটাতার দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। এসব কাঁটাতার ভেঙে ভারতীয় জনগণ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে। আমরা বাংলাদেশকে কোনো দেশের করদ রাজ্য হিসেবে দেখতে চাই না। জুলাইয়ে আমরা এজন্য জীবন দিয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *