কৃষি উৎপাদন বাড়লেও সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেছেন, “কোল্ড চেইন লজিস্টিকস, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
সোমবার (২৭ এপ্রিল) শিল্প মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেলের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
শিল্পমন্ত্রী বলেছেন, “নদীমাতৃক বাংলাদেশের জন্য নদীভিত্তিক ভূমি পুনরুদ্ধার ও ব্যবস্থাপনায় ডাচ অভিজ্ঞতা অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে।”
তিনি প্রথাগত উন্নয়ন সহায়তার বদলে কৌশলগত সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বভিত্তিক (পিপিপি) সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
বৈঠকে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জানান, তার দেশ সরাসরি সহায়তার বদলে অংশীদারত্বমূলক বিনিয়োগ ও জ্ঞানভিত্তিক সহযোগিতায় আগ্রহী। বিশেষ করে কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, বন্দর আধুনিকীকরণ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা খাতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তবে, এর জন্য শক্তিশালী মেধাস্বত্ব সুরক্ষা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়। শিল্পমন্ত্রী বলেন, “অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নের স্বার্থে উত্তরণ-পূর্ব প্রস্তুতির জন্য তিন বছর সময় বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।”
রাষ্ট্রদূত জানান, কৃষি, সামুদ্রিক খাত ও বাণিজ্য উন্নয়নে নেদারল্যান্ডস থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল শিগগির বাংলাদেশ সফর করবে, যা বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন গতি আনবে।
বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসএন/পিডিকে