ঢাকার মিরপুর-১১ নম্বরে একটি বাসা থেকে ৭৫ বছর বয়সী নুরজাহান বেগম নামে এক নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনা তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রিটে ৭৫ বছর বয়সী নুরজাহান বেগমের সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
এছাড়াও তার মৃত্যুর ঘটনা পুলিশের পরিবর্তে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তদন্তের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (৩ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শরীফ সরকার জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।
রিটের পক্ষে শুনানিতে থাকবেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী। এ ব্যাপারে
এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী বলেন, বাবা-মা ভরণপোষণের আইন ও ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি অনুযায়ী অবেহলাজনিত কারণে দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে একজন ম্যজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তদন্ত চাওয়া হয়েছে।
গত রোববার রাতে মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের ‘সি’ ব্লকের ১৩ নম্বর সড়কের ৮ নম্বর বাড়ির চতুর্থ তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে ওই বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে পল্লবী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেন তার মেয়ে ফাতিমা নাসরিন সুলতানা (৫২)। নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
ছেলেদের মধ্যে একজন যুগ্ম সচিব, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং আরেকজন কানাডাপ্রবাসী। তবে স্থানীয়দের দাবি, তারা কেউ নিয়মিত মায়ের খোঁজখবর নিতেন না।
জানা যায়- নুরজাহান বেগম একই বাসায় তার মেয়ের সঙ্গে থাকতেন। তবে তারা আলাদা কক্ষে অবস্থান করতেন। কয়েকদিন ধরে মায়ের কোনো সাড়া না পেয়ে রোববার এক নার্সকে ডেকে আনেন তার মেয়ে। নার্স কক্ষে গিয়ে বৃদ্ধাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।