বাংলাদেশের ফুটবলে হাভিয়ের কাবরেরা অধ্যায় শেষ হয়েছে। এখন অপেক্ষা নতুন কোচের। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কোচ নিয়োগে আবেদন করেছিল প্রায় ৩০০ জন। সেখানে তালিকা কমিয়ে আনা হয়েছে ১০ জনে। এদের মধ্য থেকেই চূড়ান্ত করা হবে একজনকে।
এর আগে গত ৪ মে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু জানিয়েছিলেন, তিনদিনের মধ্যে কোচের বিষয়টি চূড়ান্ত করে জানানো হবে। নির্ধারিত সেই সময়সীমা পার হয়ে গেছে কিন্তু এরপর বাফুফের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি।
আজ শুক্রবার (৮ মে) অবশেষে কোচ নিয়োগের বিষয়ে কথা বলেছেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল। মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি জানান, আগামী ১৫ মে’র মধ্যে নতুন কোচের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করতে চায় ফেডারেশন।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘জাতীয় দল কমিটি বর্তমানে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছে। পাঁচজন কোচের সাক্ষাৎকার ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, আগামী রোববারের মধ্যে আমরা একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব এবং ১৫ মের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হবে।’
বাংলাদেশের কোচ হওয়ার জন্য এবার অনেক বড় বড় নাম আবেদন করেছেন। এর মধ্যে একজন ব্রাজিলের অলিম্পিক জয়ী দলের কোচ রোজারিও মিকেল। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোনা যাচ্ছে, বাফুফের সিদ্ধান্ত বিলম্ব হওয়ায় তিনি নাকি অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ব্রাজিলিয়ান এই কোচকে নিয়ে তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কিছুই শোনা যেতে পারে। আমি অনুরোধ করব ফেডারেশনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ওপর নির্ভর করতে। আমরা যাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছি, তারা সবাই অত্যন্ত আগ্রহী এবং রোববারে আমাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।’
বাফুফের আয় সীমিত। যে কারণে হাই-প্রোফাইল কোচরা আবেদন করলেও তাদের বেতন বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বাফুফের জন্য। তবে, তাবিথ আউয়ালের মতে, বাজেটেই শেষ কথা নয়।
বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘বাজেট অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এটিই শেষ কথা নয়। যোগ্য কোচের জন্য যদি বাজেটের বাইরে যেতে হয়, তবে আমরা স্পন্সর, সরকার এমনকি সংশ্লিষ্ট দেশের দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ করব। যেভাবেই হোক, আমরা আর্থিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার চেষ্টা করব।’