বাংলাদেশি সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের

ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ জেতায় সিরিজে এগিয়ে ছিল টাইগাররা। দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় লিটন দাসের দলের সামনে সুযোগ ছিল শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করে নেওয়ার। তবে সেই সুযোগ হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ।

শনিবার (২ মে) বৃষ্টিস্নাত সিরিজের শেষ ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৫ ওভারের ম্যাচে ১৪.২ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে ১০২ রান করেছিল বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে ২০ বল আর ৬ উইকেট হাতে রেখে সহজেই জয় তুলে নেয় কিউইরা। ফলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে সিরিজ।

ম্যাচ হারলেও বাংলাদেশি দর্শকদের উন্মাদনা দেখে মুগ্ধ কিউই শিবির। তবে ঘরের মাঠে সমর্থকদের উৎসব মাটি করে দেওয়ায় সংবাদ সম্মেলনে এসে দুঃখ প্রকাশ করেছেন সফরকারী অধিনায়ক।

ম্যাচ শেষে নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নিক কেলি। বাংলাদেশ দলের বোলিং আক্রমণ নিয়ে তিনি বলেন, “(বাংলাদেশের) দুই সিরিজের বোলিং ইউনিট ছিল একদম আলাদা। এক ধরনের বোলারদের বিপক্ষে খেলে অভ্যস্ত হওয়ার পর হঠাৎ পুরো আক্রমণ বদলে গেলে কাজটা কঠিন হয়ে যায়। তবে বাংলাদেশের বোলাররা প্রত্যেকেই বেশ উঁচু মানের। তাঁরা মাঠে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করেছেন।”

মিরপুরের গ্যালারিতে দর্শকদের আবেগ দেখে অভিভূত কেলি। তিনি বলেন, “দারুণ পরিবেশ ছিল এখানে। অনেক শোরগোল, তারা (সমর্থক) অনেক প্যাশনেট। বৃষ্টির পরেও তারা ফিরে এসেছিল। বাংলাদেশের লোকজন দারুণ। আমাদের সময়টাও এখানে দারুণ কেটেছে। প্রায় হাউজফুল ছিল। তাদের পার্টি নষ্ট করার জন্য দুঃখিত, আমরা ম্যাচ জিতে নিয়েছি। যদিও তারা ক্রিকেটকে ভালোবাসে, আশা করি তাদের আনন্দ দিতে পেরেছি।”

শনিবার টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। মূলত বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখেই এই পরিকল্পনা ছিল তাদের। আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপরই হানা দেয় বৃষ্টি। দীর্ঘ বিরতির পর খেলা শুরু হলে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনা হয় ১৫ ওভারে।

বৃষ্টির পর ভেজা উইকেটে মানিয়ে নেওয়া এবং হুট করে বদলে যাওয়া পরিস্থিতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি লিটন-হৃদয়রা। ফলে বড় লক্ষ্য জমা করতে ব্যর্থ হয় স্বাগতিকরা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *