আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বৈধপথে প্রবাসী আয় পাঠাতে আড়াই শতাংশ নগদ প্রণোদনার জন্য ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। আগামী বাজেটে বাড়িয়ে এ বরাদ্দ ৭ হাজার কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে সাবেক অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে রেমিট্যান্সের অবদান অনেক। সরকার যে নগদ প্রণোদনার বরাদ্দ বাড়াচ্ছে, সেটি ইতিবাচক। তবে শুধু প্রণোদনা দিলেই হবে না, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানো সহজ ও দ্রুত করতে হবে।
হুন্ডি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া কঠিন হবে জানিয়ে অর্থ সচিব বলেন, এজন্য বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং খাতে আস্থা এবং প্রবাসীদের জন্য কম খরচে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুযোগ বাড়াতে হবে।
একই প্রসঙ্গে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, বাজেটে শুধু প্রণোদনা বাড়ালেই হবে না, দক্ষকর্মী তৈরিতে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন। বর্তমানে বাংলাদেশের বড় অংশের শ্রমিক নিম্ন দক্ষ জানিয়ে এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ফলে তারা কম মজুরির কাজ পান। দক্ষতা বাড়ানো গেলে একই সংখ্যক কর্মী থেকেও বেশি রেমিট্যান্স আসবে। বিশ্ববাজারে এখন স্বাস্থ্যসেবা, আইটি, নির্মাণ, মেশিন অপারেশন ও কারিগরি খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়ছে। বাজেটে তাই টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানের স্কিল ডেভেলপমেন্টে বরাদ্দ বাড়ানো জরুরি।