কিউবা মঙ্গলবার (৫ মে) অভিযোগ করেছে যে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দেশটির ওপর তেল অবরোধ চালানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রড্রিগজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, রুবিও ‘সরাসরি মিথ্যা বলার’ পথ বেছে নিয়েছেন।
জানুয়ারি থেকে জ্বালানি সংকটে ভুগছে কিউবা। ওই সময় মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ও কিউবার মিত্র নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে।
একই সঙ্গে কিউবায় অপরিশোধিত তেল পাঠানো দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দেয় ওয়াশিংটন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি।
রড্রিগজ বলেন, রুবিওর বক্তব্য প্রেসিডেন্ট ও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্রের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে, হোয়াইট হাউসের দেওয়া মন্তব্যের জবাবে এই প্রতিক্রিয়া জানান রড্রিগজ।
দৈনিক ব্রিফিংয়ে অতিথি সঞ্চালক হিসেবে উপস্থিত হয়ে রুবিও বলেন, কিউবার ওপর সরাসরি কোনো তেল অবরোধ নেই।
রুবিও বলেন, আগে ভেনেজুয়েলা কিউবাকে বিনা মূল্যে তেল দিত। তারা ওই তেলের প্রায় ৬০ শতাংশ পুনরায় বিক্রি করে নগদ অর্থ আয় করত। সেটি জনগণের কোনো উপকারে আসত না।
রুবিও আরও বলেন, এখন যা হয়েছে, তা হলো- ভেনেজুয়েলা আর বিনা মূল্যে তেল দিচ্ছে না।
এদিকে ১ মে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার জ্বালানি খাতে নতুন যে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন, তারও সমালোচনা করেন রড্রিগজ।
এ পর্যন্ত মার্চের শেষ দিকে একটি রুশ তেলবাহী ট্যাংকার কিউবায় পৌঁছাতে অনুমতি দিয়েছে ওয়াশিংটন।
ট্রাম্পের বলেন, সেটি ছিল এককালীন চালান।