জিলিসের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানলেন ইলন মাস্ক

বিশ্বের অন্যতম ধনকুবের ইলন মাস্ক তার সঙ্গী শিভন জিলিসের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। এ বিষয়ে জিলিস জানান, কোনো পূর্বসংকেত ছাড়াই তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটেছে এবং এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। খবর এনডিটিভির।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (২ অক্টোবর) অনলাইনে এক পোস্ট জিলিস এ বিষয়ে মুখ খোলেন। শিভন জিলিস নিউরালিংকের একজন নির্বাহী এবং তার ধনকুবের ইলন মাস্কের সঙ্গে চার সন্তান রয়েছে।

শিভন জিলিস বলেন, এক সপ্তাহ ব্যবধানে গভীর প্রেম থেকে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেদনাদায়ক। তবে তিনি বিষয়টি মেনে নিয়ে বলেছেন, মাঝেমধ্যে পরিস্থিতি এভাবেই মোড় নেয়।

মাস্ক তার মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্ম এক্সে জিলিসকে ‘আনফলো’ করার পরই তাদের বিচ্ছেদের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরবর্তীতে জিলিস তাদের সাম্প্রতিক কথোপকথনের একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেন, যেখানে দেখা যায়—গত ২৪ সেপ্টেম্বরও তারা একে অপরের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছিলেন।

এর কয়েক দিন পর মাস্ক সঙ্গী জিলিসকে মেসেজ পাঠিয়ে জানান, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সম্মানে আয়োজিত হোয়াইট হাউসের ‘স্টেট ডিনারে’ তিনি জিলিসকেও সঙ্গে নিয়ে যেতে পারতেন, এটি সেসময় বুঝতে পারেননি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে জিলিস মাস্কের সম্পর্কে বলেন, তিনি একজন ‘যন্ত্রণাগ্রস্ত’ ব্যক্তি ছিলেন। তার জীবন ছিল কঠিন। কাজে যাওয়ার আগে বিশ্রাম ও মানসিক প্রশান্তির জন্য তাকে নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছিলেন জিলিস এবং তাদের সন্তানরা।

শিভন জিলিস বলেন, তিনি মাস্ককে গভীরভাবে ভালোবাসতেন। মাস্কও তার জীবনকে অনেক সমৃদ্ধ করেছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, তাদের এই বিচ্ছেদে ‘অনেক বড় ক্ষতি’ হয়েছে।

জিলিস বলেন, ‘আমি ব্যথিত, কিন্তু মাস্কের প্রতি আমার গভীর মমতা রয়েছে এবং আমি সবসময় তার সুখ কামনা করব।’

পোস্টে সবশেষে শিভন জিলিস লেখেন, ‘ইশ্বর তোমার মঙ্গল করুক, ইলন।’

মাস্ক ও জিলিসের সম্পর্ক শুরু হয়েছিল ২০২০ সালে। তাদের চার সন্তানদের মধ্যে রয়েছে ২০২১ সালে জন্ম নেওয়া যমজ স্ট্রাইডার ও অ্যাজিউর, ২০২৪ সালে জন্ম নেওয়া মেয়ে আর্কাডিয়া এবং সর্বশেষ সন্তান সেলডন জন্ম নেয় ২০২৫ সালে।

ইলন মাস্কের চারজন সঙ্গীর ঘরে অন্তত ১৪টি সন্তান রয়েছে। তার প্রথম স্ত্রী জাস্টিন উইলসনের ঘরে পাঁচ সন্তান রয়েছে। জিলিসের সঙ্গে বিচ্ছেদের বিষয়ে মাস্ক এখনও কোনো মন্তব্য করেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *