চোট থেকে ফিরেই নেইমারের বাজিমাত

প্রায় এক মাসের অপেক্ষার অবসান। চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেই গোলের উৎসবে মাতলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার জুনিয়র। জোড়া গোল করে হারতে বসা সান্তোসকে রক্ষা করেছেন নেইমার। তবুও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি তার ক্লাব। ম্যাচ শেষ করেছে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে।

ব্রাজিলিয়ান লিগ সিরি আ-তে ফ্ল্যামেঙ্গোর সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে সান্তোস। এই ড্রয়ে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-এর পয়েন্ট তালিকার অষ্টম স্থানে রয়েছে দলটি। অন্যদিকে, ৬১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ফ্ল্যামেঙ্গো।

ডান ঊরুর চোটের কারণে প্রায় এক মাস মাঠের বাইরে থাকার পর এদিন সান্তোসের জার্সিতে ফেরেন নেইমার। তবে তিনি মাঠে নামার আগেই বিপদে পড়ে যায় সান্তোস। নিজেদের মাঠ ভিলা বেলমিরোতে ফ্ল্যামেঙ্গোর বিপক্ষে শুরু থেকেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে সান্তোস।

প্রথমার্ধেই দুই গোল হজম করে পিছিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৪৩তম মিনিটে দানিলো এবং প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লুকাস পাকেতার গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সফরকারীরা।

তবে বিরতির পর মাঠে নেমে ম্যাচের চিত্র বদলে দেন নেইমার। তার দুই গোলেই শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে সক্ষম হয় সান্তোস। দ্বিতীয়ার্ধে ফিলিপ কৌতিনিয়োর পরিবর্তে মাঠে নামেন নেইমার।

গত ২ সেপ্টেম্বর পালমেইরাসের বিপক্ষে ম্যাচে ডান ঊরুর পেশিতে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে ছিটকে পড়েছিলেন তিনি। সেই চোটের কারণে সান্তোসের হয়ে টানা ছয়টি ম্যাচে খেলতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তবে মাঠে ফিরেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন এই তারকা।

ম্যাচের ৮২ ও ৮৮তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সান্তোসকে সমতায় ফেরান আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার। এ সময় সাবেক জাতীয় দল সতীর্থ লুকাস পাকেতার সঙ্গে তার উত্তপ্ত পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়। নেইমারকে ফাউল করার ঘটনায় হলুদ কার্ড দেখেন ফ্ল্যামেঙ্গোর এই মিডফিল্ডার।

এর আগে গত মৌসুমে চোটের সঙ্গে লড়াই করেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে সান্তোসকে অবনমনের হাত থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রেখেছিলেন নেইমার। এবারও চোট কাটিয়ে ফেরার পর তার পারফরম্যান্সে মিলছে ইতিবাচক ইঙ্গিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *