মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় খাল পুনঃখনন শেষে ২ কোটি ২০ লাখেরও বেশি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না হওয়ায় এ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেদবতী মিস্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত ১৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য আমরা ৩ কোটি ৮৬ লাখ ২৭ হাজার ১২ টাকা বরাদ্দ পাই। এর মধ্যে ৮.২৫০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। বাকি অংশটুকু পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমোদন না পাওয়ায় কাজ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজ ২৪ দিনে শেষ হওয়ায় সবমিলিয়ে ২ কোটি ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪৫ টাকা অব্যয়িত থেকে গেছে। পরে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে এ টাকা জমা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে জানানো হয়েছে, বরাদ্দকৃত ১৫ কিলোমিটার খাল ছিল বাবুখালী রায়পুর স্লুইস গেট থেকে বালিদিয়া নির্বিষখালী পর্যন্ত খাল।
ইউএনও আরও জানান, ৮.২৫০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন শেষে পাড় বাঁধাই করে সেখানে ২৫০০ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
গত ১৬ মার্চ বিনোদপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর এলাকায় সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকার প্রকল্প এ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী ও মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য নিতাই রায় চৌধুরী।