পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে রাজধানী ঢাকায় কোরবানির পশুর লাথি, শিংয়ের গুঁতো এবং মাংস কাটতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের দিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তারা বিভিন্ন মাত্রার জখম নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ মো. ফারুক খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ১০০ জন আহত ব্যক্তি জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। এদের মধ্যে চোট গুরুতর না হওয়ায় অধিকাংশই প্রাথমিক চিকিৎসা ও ব্যান্ডেজ নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে হাড় ভেঙে যাওয়া বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়া কিছু রোগীকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিৎসা নেওয়া আহতদের মধ্যে সিংহভাগই পশুর আক্রমণের শিকার। এর মধ্যে ৮০ জন গরুর আকস্মিক লাথি ও শিংয়ের শক্তিশালী আঘাতে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। অন্যদিকে, বাকি ২০ জন কোরবানি পশুর চামড়া ছাড়ানো এবং মাংস কাটার সময় নিজেদের ব্যবহৃত ধারালো ছুরি ও দা-এর আঘাতে হাত বা আঙুল কেটে ফেলে জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য আসেন।
কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, প্রতি বছরই কোরবানির ঈদে পশুকে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং মাংস কাটার সময় অসচেতনতার কারণে এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এবারও ঈদের দিন সকাল থেকেই ঢামেকের জরুরি বিভাগে এমন আহতদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।