সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন যমুনা টেলিভিশনের মুখোমুখি হয়ে এই সরকারে ‘কিচেন কেবিনেট’ থাকার বিষয়টি সামনে আনেন। যা নিয়ে আগে থেকেই কানাঘুষা ছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে।
তৌহিদ হোসেনের এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, কারা ছিলেন ‘কিচেন কেবিনেটের’ সদস্য? অনেকেই অভিযোগের আঙ্গুল তুলছেন ছাত্র নেতা থেকে উপদেষ্টা বনে যাওয়া আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দিকেও।
তবে আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দাবি করেন, তিনি কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলেন না।
তৌহিদ হোসেনের বক্তব্যের আরও বিষয় নিয়েও কথা বলেন তিনি। আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তার দাবি, চুক্তির বিষয়ে এনসিপির সাথেও কোনো আলোচনা হয়নি। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী (তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) খলিলুর রহমান বিএনপির পরামর্শে অন্তবর্তীকালীন সরকারের ওপর দায় চাপিয়েছে। এই চুক্তি তারেক রহমান করিয়েছেন। চুক্তির কোনো কিছু সংশোধন করতে চাইলে বিএনপি করুক বা বাতিলও করতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অনেক দেশই চুক্তি বাতিল করেছে।
রাজনীতি, কূটনীতি পেরিয়ে ক্রিকেট পাড়াকেও টেনে আনলেন সাবেক এই ক্রীড়া উপদেষ্টা। অভিযোগ করেন, এবারের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে কেউ নিজের যোগ্যতায় কাউন্সিলর হয়নি, সবাই এসেছে বাবার পরিচয়ে। ক্রীড়াকে পরিবারকরণ করেছে বিএনপি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় যোগ্য ব্যক্তিদের কাউন্সিলর করা হয়েছিল।
এসএন/পিডিকে