আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন, বিশেষ অধিবেশন ডেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি হয়নি। সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে কোনো মমলা থাকলে খতিয়ে দেখা হবে। সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না, সেটাও দেখা হবে।
আজ শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি। সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী জানান, আগের রাষ্ট্রপতি মামলা নিয়ে এখনই মন্তব্য নয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামে জুলাই আন্দোলনে আহত আটজনের বিরুদ্ধে করা মামলা যদি মিথ্যা হয়, তাহলে তা প্রত্যাহার করা হবে।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সীমান্তে এক্সট্রা কিলিং শূন্যের কোটায়। এছাড়া যত বড় রাজনৈতিক নেতাই হোক না কেন, ধর্ষণের মামলা প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এখন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকবেন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।