শান্ত-মুমিনুলে প্রথম দিন শেষে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ

নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের জুটিটিই হয়ে থাকল প্রথম দিনের সবচেয়ে হাইলাইটেড বিষয়। চতুর্থ উইকেটে তাদের ১৭০ রানের জুটিতে বাংলাদেশও দিনটি শেষ করেছে শক্ত অবস্থানে থেকে। ৪ উইকেটে টাইগাররা স্কোরবোর্ডে ৩০১ রান তুলেছে।

বাংলাদেশকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়াদের মধ্যে শান্ত সেঞ্চুরি করেছেন। তবে সেঞ্চুরির পরপরই ১০১ রানে আউট হয়েছেন তিনি। মাত্র ৯ রানের জন্য সেঞ্চুরিবঞ্চিত হয়েছেন মুমিনুল হক। মুশফিকুর রহিম আগামীকাল দিন শুরু করবেন ফিফটি থেকে ২ রান দূরে থেকে, তার সঙ্গী লিটন দাস অপরাজিত ৮ রানে।


মিরপুরে ৩১ রানেই বাংলাদেশ ২ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। মাহমুদুল হাসান জয় ৮ ও সাদমান ইসলাম ১৩ রান করে আউট হন। এরপর মুমিনুল ও শান্তর প্রতিরোধী জুটি। প্রতিরোধ করে পাকিস্তানের ওপর চাপ ঠেলে দেন তারা। দুজনে মিলে দ্বিতীয় সেশনের পুরোটাই আধিপত্য করেন।


বিরতির ঠিক আগে আগে শান্ত ৭৪ ইনিংসের টেস্ট ক্যারিয়ারে নবম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। সেঞ্চুরি হিসাবে বাংলাদেশিদের মধ্যে তার ওপরে আছেন মুমিনুল হক (১৩), মুশফিকুর রহিম (১৩) ও তামিম ইকবাল (১০)। শান্ত এ নিয়ে সবশেষ পাঁচ ম্যাচে শতক হাঁকালেন চারবার। গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টের দুই ইনিংসেই তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছিলেন, প্রথম ইনিংসে ১৪৮ করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ১২৫। পরের টেস্টে অবশ্য হাফসেঞ্চুরিও করতে পারেননি। সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র ইনিংসে করেন ১০০।


শান মাসুদদের বিপক্ষে সেঞ্চুরিটি করে শান্ত টিকতে পারেননি। আব্বাসের গুডলেন্থের ডেলিভারিতে ডিফেন্ড করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে মাঠ ছাড়েন। আম্পায়ার শুরুতে অবশ্য আউট দেননি, সতীর্থদের সঙ্গে পরামর্শ করে পাকিস্তান অধিনায়ক রিভিউ নেন। রিভিউয়ে দেখা যায়, বল শান্তর ব্যাটে লাগেনি, উচ্চতায়ও মার খায়নি আব্বাসের ডেলিভারি। ১০১ রানের ইনিংসে ১৩০ বল খেলেন শান্ত, ১২টি চারের পাশাপাশি মারেন ২টি ছয়।


শান্ত একটু আক্রমণাত্মক হলেও মুমিনুল খেলছিলেন রয়েসয়ে। আগে নামলেও টেস্ট মেজাজী ব্যাটিংয়ে শান্তর পরে ১০২ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। সেঞ্চুরিটাও পেয়ে যেতে পারতেন, কিন্তু ২০০তম বলের মোকাবিলায় নোমান আলীর এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন। মুমিনুল ৯১ রানের ইনিংসে ১২টি চার হাঁকান।


বাকিটা দিন শেষ করেন মুশফিক ও লিটন মিলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *