ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার তানিম রেজা বাপ্পী ও তার সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়াকে রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত।
আজ শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
এদিন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোমিনুর রহমান আসামিদের হাজির করে রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণের আবেদন করেন।
এর আগে গত ১৮ জুলাই বিচারক আসামিদেরকে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।
নথি থেকে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই সকালে হোটেল পূর্বাণী সংলগ্ন এলাকা থেকে বাপ্পী এবং দুপুরে উত্তর কমলাপুর থেকে রাকিবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে দক্ষিণ কমলাপুরে বাপ্পির অফিসে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি রিভলভার, দুটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড রিভলভারের গুলি, দুই রাউন্ড পিস্তলের গুলি, দুটি ম্যাগাজিন, একটি ইলেকট্রিক শক গান এবং একটি বিদেশি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়।
এজাহারে বলা হয়, ইসমাইল হোসেন পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তিনি মতিঝিল থানাধীন ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের পাশে কোরবানির অস্থায়ী গরুর হাটের ইজারাদার। গত ১৫ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিল থানাধীন এজিবি কলোনিতে অবস্থানকালে তার ব্যবহৃত মোবাইলে হোয়াটসঅ্যাপে কল আসে। কল রিসিভ করার পর আসামি গরুর হাটে অংশীদার হিসেবে তার মনোনীত লোককে রাখার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, এ সময় হোসেনের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তার মনোনীত লোককে না নিলে এবং দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দিলে তাকে গুলি করে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। চারদিন পর গত ১৯ মে সকাল ১০টার দিকে কোরবানির পশুর হাট সংক্রান্ত মিটিংয়ে থাকাবস্থায় তার ভাগিনা হৃদয় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানায়, ভোরবেলা অজ্ঞাতনামা কে বা কারা তার অফিসে গুলি করেছে।
এ ঘটনায় গত ২০ মে ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন।