কোনভাবেই ব্যক্তিগতভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করা যাবে না, দেশের জন্য ব্যবহার করতে হবে, জনগণের জন্য ব্যবহার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। টাউন হল মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ১৭ বছর পুলিশ বিভাগকে যেভাবে চালিয়েছে, সেভাবেই চলেছে। আবার আমরা এখন আমাদের মন মানসিকতা দিয়ে দেশের নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের জন্য চালাব, সেটার ওপর নির্ভর করে। কোনোভাবেই ব্যক্তিগতভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করা যাবে না। দেশের জন্য ব্যবহার করতে হবে, জনগণের জন্য ব্যবহার করতে হবে। নির্বাচিত সরকারের জন্য এটি একটি বড় দায়িত্ব। কারণ নির্বাচিত সরকারের জবাবদিহিতা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সময় যে সরকার ছিল তাদের কোনো জবাবদিহি ছিল না। যা ইচ্ছে তা, যখন যেটা মনে পড়েছে, যখন যেটা দরকার পড়েছে, সেটা করে নিয়েছে। এভাবে তো স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবে না, অন্য ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবে না, সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়নি। এজন্য ভোটের অধিকারকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমাদের আন্দোলন করতে হয়েছে। গণতন্ত্রের ভিত যত শুক্তিশালী হবে, আপনার ব্যবসা ও অবস্থান ততবেশি মজবুত হবে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, শুধু সরকার দেশপ্রেমিক হলে চলবে না, আমাদের সবাইকে দেশপ্রেমিক হতে হবে। সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। স্বর্ণ ব্যবসার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মজবুত রাখতে পারবেন, তাহলে আপনাদের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে পারি। সেই সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে দেশের আইনশৃঙ্খলাকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রত্যেকটা ব্যবসা দেশের আইনশৃঙ্খলার ওপর নির্ভর করে। তাহলে আইনশৃঙ্খলাকে স্বাভাবিক রাখার জন্য আমাদের খুব সতর্ক থাকা উচিত।
বাজুসের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খানের সভাপতিত্বে ও লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের চেয়ারম্যান সমীর কর্মকারের সঞ্চালনায় এতে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ডিস্ট্রিক মনিটরিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট আজাদ আহমেদ, বাজুস ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, বাজুসের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন, বাজুস নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মানিক, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ, সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।