বার কাউন্সিলের আইন লঙ্ঘন, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইন লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কীভাবে এখনও অ্যাডভোকেটদের তালিকায় (রোল) বহাল রয়েছেন, তা তদন্ত করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার (৪ মে) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ ওয়াই মশিউজ্জামান এই নোটিশ পাঠান।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ ও আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বরাবরে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিলের ১৯৭২ সালের আদেশের অনুচ্ছেদ ৩২(১) অনুযায়ী, কোনো অ্যাডভোকেট পেশাগত বা অন্যান্য অসদাচরণের জন্য দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে তিরস্কার, স্থগিত বা প্র্যাকটিস থেকে অপসারণ করা যেতে পারে। এছাড়া বিধিমালার ৭০ ধারা অনুযায়ী, কোনো অ্যাডভোকেট অন্য কোনো পেশায় যোগদানের উদ্দেশ্যে প্র্যাকটিস বন্ধ রাখতে চাইলে সনদ স্থগিত করার আবেদন করার বিধান রয়েছে।

আইনজীবী মশিউজ্জামান জানান, গত ৩১ মার্চ বার কাউন্সিল তাকে অবহিত করেছে যে, মো. সাহাবুদ্দিন এখন পর্যন্ত তার লাইসেন্স স্থগিত করার জন্য কোনো আবেদন করেননি। অথচ তিনি ২৪ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

নোটিশে দাবি করা হয়, রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে নিয়ম অনুযায়ী প্র্যাকটিস স্থগিতের আবেদন না করায় তিনি বার কাউন্সিলের আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। এর ফলে তার শপথ এবং পরবর্তী কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আইনের শাসন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিসহ কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়, এই নিয়ম লঙ্ঘন করায় বার কাউন্সিলও তাদের নিয়ন্ত্রক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *