পাবনার ভাড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খানকে অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন জুলাই যোদ্ধারা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নানাভাবে পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতার অভিযোগ এনে তাকে দ্রুত অপসারণের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা।
আজ রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে জুলাই ঐক্য পরিষদের ব্যানারে শহরের জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে যান জুলাই যোদ্ধারা। এরপর তাদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের কাছে গিয়ে একটি স্মারকলিপি দেন। এ সময় জেলা প্রশাসক তাদের তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস দেন।
পাবনার সম্মুখ সারির জুলাই যোদ্ধারা বলেন, ২০২৪ এর ৪ আগস্ট পাবনায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিলেও হামলায় অংশ নিয়েছিলেন সুলতান চেয়ারম্যান। কিন্তু আমরা তার নাম এজাহার দেওয়ার পরও রহস্যজনকভাবে মামলা থেকে নাম বাদ গিয়েছিল। সেই সুলতানা ভাড়ারা এলাকায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিয়ে রাজত্ব কায়েম করেছেন। সর্বশেষ শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণায় তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। দিল্লিতে পলাতক ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে নিয়ে সজিব ওয়াজেদ জয় যে লাইভ করেছেন, সেখানে সুলতান চেয়ারম্যান নানা ধরনের কমেন্টস করেছেন। এর পরও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করেও অভিযুক্ত পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামীপন্থি চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খানের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
