দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পাকিস্তান

মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে এসে বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়াচ্ছিল পাকিস্তান। দুই অভিষিক্ত ব্যাটার আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল সুযোগ দিচ্ছিলেন না বাংলাদেশের বোলারদের। আজানকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

আজ মঙ্গলবার (১২ মে) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পঞ্চম দিনে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩ উইকেট হারিয়ে ৭২ রান করেছে পাকিস্তান। জয়ের জন্য এখনো তাদের প্রয়োজন ২০৬ রানের।

প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশের জন্য কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আজান-আব্দুল্লাহ জুটি। দ্বিতীয় উইকেটে তাদের অর্ধশত রানের জুটিতে বাংলাদেশের মাথা ব্যাথ্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ১৩তম ওভারে এসে সেটি ভাঙলেন মিরাজ। বোল্ড করে ফেরালেন আজানকে। ফেরার আগে ৩৩ বলে ১৫ রান করেছেন তিনি।

চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে আসা পাকিস্তানের অধিনায়ক শান মাসুদকে উইকেটে দাঁড়াতে দেননি নাহিদ রানা। তার গতিময় বল আলতো করে শানের ব্যাট ছুঁয়ে চলে যায় উইকেটরক্ষক লিটন দাসের গ্লাভসে। ৫ বলে ২ রান করে ফিরেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

এক উইকেট শিকার করে লাঞ্চে বাংলাদেশ

জিততে হলে পাকিস্তানকে করতে হবে ২৬৮ রান। এই মাঠে চতুর্থ ইনিংসে এখন পর্যন্ত যা অসম্ভব। এখানে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ইংল্যান্ডের। ২০১০ সালে বাংলাদেশের দেওয়া ২০৯ রান তাড়া করে ইংলিশরা।

রেকর্ড গড়ার চাপ নিয়ে মাঠে নামা পাকিস্তান খেই হারিয়েছে ইনিংসের প্রথম ওভারে। ওভারের শেষ বলে ওপেনার ইমাম-উল-হককে সাজঘরে ফেরান তাসকিন আহমেদ। ২ রান করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন ইমাম। ৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় সফরকারী পাকিস্তান।

নিজের দ্বিতীয় ওভারে আবারও উইকেটের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন তাসকিন। তবে, আব্দুল্লাহ ফজলের বিপক্ষে কট বিহাইন্ডের আবেদন নাকচ করে দেন আম্পায়ার।

চার ওভারে ৬ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার করেই মধ্যাহ্ন বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ।

এর আগে ৭০.৩ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪০ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের ২৭ রানের লিড মিলিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৭।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *