জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ রাখায় এবং এক লাখ লিটার তেল অপচয় করার কারণে জনভোগান্তি ও জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
রাশেদ খান বলেন, বিরোধীদলের নেতাদের মুখে হতাশার ছাপ! জামায়াত ঘোষিত লংমার্চে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারণ মানুষের কোনো আগ্রহ ও অংশগ্রহণ নাই। তারা ভেবেছিল রাস্তার দুই ধারে জনতার ঢল নামবে! জামায়াতের আমিরের গাড়ি জনতার উপচেপড়া ভিড়ে যেতে পারবে না! কিন্তু লংমার্চে এতো দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পরও সাধারণ মানুষকে টানতে পারেনি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৯ দলীয় জোট (২ দল জামায়াত জোট ছেড়েছে)।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ-জ্বালানি-গ্যাস নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখে। ৬ মাসের সরকারের ওপর ১৮-২০ বছরের সমস্যা, সংকট ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার শামিল। আর স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সংসদ বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সরকার করে যাচ্ছে। সুতরাং বিরোধীদলের ৬ দফায় জনগণের কোনো আগ্রহ নাই। বরং এভাবে রাস্তাঘাট বন্ধ রাখায় ও ১ লাখ লিটার তেল অপচয় করার কারণে জনভোগান্তি ও জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে।
রাশেদ খান বলেন, এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দৈনিক হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি যাতায়াত করে। জামায়াতের লংমার্চের কারণে এই গাড়িগুলো বন্ধ আছে। এতে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার লোকসান হবে। সম্পূর্ণ দলীয় স্বার্থে এবং মিথ্যাচার ও প্রতারণাকে পুঁজি করে জনগণের ওপর একপ্রকার জোরপূর্বক লংমার্চ নামক আন্দোলন উপর চাপিয় দিয়েছে জামায়াত।