ইরানের আলোচনার প্রস্তাবে কমলো তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইরানের নতুন প্রস্তাব পাঠানোর খবরে আজ শুক্রবার (১ মে) বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। তবে তেহরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধ এবং মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বন্ধ করে রাখায় সাপ্তাহিক হিসেবে তেলের দাম এখনো বৃদ্ধির পথেই রয়েছে। খবর রয়টার্সের।

লন্ডনের স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৬ মিনিটের দিকে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ২৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক দুই শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ১১০ দশমিক ১৪ ডলারে নেমেছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ফিউচার এক দশমিক ৮৩ ডলার বা এক দশমিক সাত শতাংশ কমে ১০৩ দশমিক ২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, তেহরান গতকাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে আলোচনার সর্বশেষ প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

সাক্সো ব্যাংকের বিশ্লেষক ওলে হ্যানসেন বলেন, বাজারের পরিস্থিতি বর্তমানে ব্যবসায়ীদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং। কারণ যেকোনো ইতিবাচক খবরে দাম দ্রুত পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকছে। তেলের এই দাম বৃদ্ধির ধারা শুরু হয়েছিল গত ফেব্রুয়ারির শেষে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার পর থেকে। ফলে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বাধাগ্রস্ত হয়।

গত ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সব পক্ষের মধ্যে গভীর অবিশ্বাস রয়ে গেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের কোনো একতরফা ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করা যায় না। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মার্কিন অবস্থানে ‘দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক’ হামলার হুমকি দিলে তেলের দাম সাময়িকভাবে অনেক বেড়ে গিয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *