তিনি বলেন, আজ মা আমাদের মাঝে নেই। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফেনীর পরশুরাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মুন্সি রফিকুল আলম মজনু বলেন, এলাকার মানুষের যেসব প্রয়োজন রয়েছে, আপনাদের সঙ্গে নিয়ে সেগুলো বাস্তবায়ন করতে চাই। মা খালেদা জিয়ার অঙ্গীকার জীবন দিয়ে হলেও বাস্তবায়ন করবো।
তিনি আরও বলেন, জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসীদের আমরা সম্মান করি। মা-বোনদের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ গড়তে চাই।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে এই এলাকার মানুষ ভালোবাসে ও সম্মান করে। তার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দলমত নির্বিশেষে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাদের দল সরকার গঠন করলে মানুষের প্রয়োজনীয় কাজগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।
পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হালিম মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক রেহানা আক্তার রানু, সহ-গ্রামবিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমদ এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার।
মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত সুবেদার মিজানুর রহমান মিন্টু এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের পক্ষে বক্তব্য দেন মাওলানা আবুল খায়ের মাসুম।
পৌর সদস্য সচিব মাহবুবুল হক মজুমদার ও উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল আলিম মাকসুদের যৌথ সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল মনি, পৌর আহ্বায়ক ইউসুফ মাহফুজ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানজিনা আক্তার এলিনা, ছাত্র অধিকারের জেলা সভাপতি ইউসুফ বাপ্পী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সফিকুর রহমান এবং পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিসফাকুস সামাদ রনি।
জনসভায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতারা ধানের শীষের প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানান।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির কয়েকজন নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন।
ফেনী-১ আসন বিএনপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি। ১৯৯১ সাল থেকে খালেদা জিয়া টানা পাঁচবার এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনবার প্রধানমন্ত্রী এবং দুইবার বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের ফ্যাসিস্ট আচরণের কারণে তিনি আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি।