যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের শক্তিশালী অবস্থান ও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের উচ্চ মূল্যের কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন লক্ষ্য করা গেছে। তেলের দাম বাড়ায় মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ফেডারেল রিজার্ভ’ কর্তৃক সুদহার আরও বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। খবর রয়টার্সের।
আজ শুক্রবার (২২ মে) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১ টা ৩৮ মিনিটের লেনদেনে আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ড বা প্রতি আউন্স (৩১ দশমিক ১০৩ গ্রাম) খাঁটি স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫১৯ দশমিক ৭২ ডালারে নেমে এসেছে। এই দরপতনের ফলে চলতি সপ্তাহে মূল্যবান এই ধাতুটি সামগ্রিকভাবে প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে। অন্যদিকে, আগামী জুন মাসে সরবরাহের চুক্তিতে মার্কিন গোল্ড ফিউচার্সের দামও শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫২০ দশমিক ৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
মার্কেট বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ‘মারেক্সের’ বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেয়ার বলেন, মূলত শক্তিশালী ডলারই স্বর্ণের দাম নিচের দিকে নামিয়ে আনছে। আর বিশ্বজুড়ে চলমান উচ্চ সুদহারের কারণেই মূলত ডলারের এই উত্থান। বর্তমানে মার্কিন ডলার বিগত ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যের কাছাকাছি অবস্থান করছে, যা অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য ডলার-মূল্যায়িত স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল করে তুলেছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি আজ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট সিলভার বা রূপার দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৫ দশমকি ৮২ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৪৯ দশমকি ৪৩ ডলার ও প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৬৮ দশমিক ৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সবকটি ধাতুই চলতি সপ্তাহে সামগ্রিক দরপতনের মুখে রয়েছে।