নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পৃথক ঘটনায় একজন ব্র্যাককর্মী, এক গৃহবধূ ও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক সময়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ব্র্যাকের কর্মসূচি সহকারী পিএ দাউদুল অফিসের পাশে একটি কক্ষে থাকতেন। গতকাল সোমবার রাতে তিনি ব্র্যাকের ম্যানেজারকে বলেন তার শরীরটা ভালো লাগছে না। তাই তিনি অফিসের ওপরে গেস্ট রুমে থাকতে চান। পরে তিনি গেস্ট রুমের চাবি নিয়ে সেখানে রাতে থাকতে যান। সকাল ৯টার দিকে অফিসের পিয়ন চাবির জন্য গেস্ট রুমে গেলে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। তবে পুলিশ ও তার স্বজনরা আত্মহত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেনি।
নিহত দাউদুল ফেনী সদর উপজেলার এলাহীগঞ্জ বাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তিনি সুবর্ণচরে চরজব্বার ইউনিয়নে ব্র্যাকের কাঞ্চন বাজার শাখায় কর্মসূচি সহকারী (পিএ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
অন্যদিকে, চরজব্বর ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামের রিপনের স্ত্রী তামান্না আক্তার (২৩) নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় পৌঁছালে তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাড়িতে নেওয়া হয়। পুলিশ সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এদিকে, চরআমানউল্যাহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জসিম উদ্দিনের ছেলে হামিম (৩) পুকুরে ডুবে মারা যায়।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, দাউদুল ইসলাম ও তামান্না আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।