বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। দাম বাড়লেও রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে আগের মতোই তেল নেওয়া ব্যক্তিদের ভিড় দেখা গেছে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সরেজমিন, মিরপুর-১৪, মহাখালী, রমনা, মতিঝিলের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে লম্বা লাইন দেখা যায়।
রমনা পেট্রোল পাম্পে গাড়ির লাইন বেশি, কিন্তু বাইকের লাইন অন্যান্য দিনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। মতিঝিল করিম অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল পাস ছাড়া কোনও বাইকে তেল দেওয়া হচ্ছে না।
মিরপুর-১৪ নম্বর তেলের পাম্পে আজও প্রায় এক কিলোমিটার লম্বা লাইন দেখা গেছে। লাইনে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও গনপরিবহন তিন ধরনের যানবাহন দেখা গেছে।
সবধরনের তেল দাম বাড়লে এই পাম্পে অপেক্ষমান চালকদের কাছে জানতে চাইলে কেউ কেউ বলেন, দাম যা বাড়ার বেড়েছে। এখন প্রতি দিন সাত-আট ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে না হয়তো।
সেলিম নামে এক বাসচালক বলেন, আমি একদিন তেল নেই, একদিন গাড়ি চালাই। দাম বেশি নিলে নিক, লাইনে আর থাকতে চাই না।
মনির নামে এক বাইকচালক বলেন, আমি ফুড পান্ডায় কাজ করি। বাইক চালিয়ে সংসার চালাই। সরকারের কাজে আমার কোনও প্রতিবাদ নাই। আমি শুধু বাইকের অকটেন চাই, দাম যাই হোক। বাইক বন্ধ হয়ে গেলে আমার সংসারের খাবারও বন্ধ হয়ে যাবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) তেলের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করা হয়েছে। আর পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়। ডিজেলের দাম লিটার প্রতি বাড়ানো হয়েছে ১৫ টাকা। নতুন দামে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি হবে ১১৫ টাকা করে। আর কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করা হয়েছে।
এর আগে, সর্বশেষ চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়।
এসএন/পিডিকে