জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামার কথা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা নিঃসন্দেহে আন্দোলন গড়ে তুলব। আন্দোলন ছাড়া আমাদের করার আর পথ কী আছে! আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করব। আমরা ১১টি দল দ্রুতই একত্রে বসে সিদ্ধান্ত নেব।
আজ বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রস্তাবে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের কথা বলা হয়। তবে বিরোধী দল জানিয়েছে, গণভোটে জনগণ সংবিধান সংশোধনের নয়, বরং সংস্কারের জন্য রায় দিয়েছে। কাজেই সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কোনো কমিটি অপ্রাসঙ্গিক। সংসদীয় বিশেষ কমিটি হলে তা অবশ্যই সংস্কারভিত্তিক হতে হবে।
বিরোধী দলীয় নেতা জানান, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা নিয়ে তার দেওয়া মুলতবি প্রস্তাব কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়া আলোচনা দিয়েই শেষ হয়েছে। এতে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা সংকটের প্রতিকার চেয়েছিলাম, সংকট সৃষ্টি করতে আসিনি। কিন্তু জাতির দেওয়া ম্যান্ডেটকে অগ্রাহ্য ও অপমান করা হয়েছে।
আজ সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকাআউট করে বিরোধী দল। এ প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বানের বিষয়ে কোনো প্রতিকার না পাওয়া এবং তাদের মুলতবি প্রস্তাবটি চাপা দিতে আরেকটি প্রস্তাব আনার প্রতিবাদে ওয়াকআউট করেন তারা।
বিরোধী দলীয় নেতা আরও বলেন, আমরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছি, সংসদকে ত্যাগ করিনি। আমরা সংসদেরই অংশ। কিন্তু আন্দোলন ছাড়া আমাদের আর কোনো পথ নেই। অতীতের মতো এবারও জনগণ তাদের পাশে থাকবে এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থে সবাই ঐক্যবদ্ধ হবে। ১১ দল দ্রুত একত্রে বসে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করবে।