স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, “প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তৃণমূলের স্বাস্থ্য কাঠামোকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে ‘হেলথ হাব’ এবং প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একটি করে ‘হেলথ ওয়েলবিং সেন্টার’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।”
আজ রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জয়পুরহাটের ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হেলথ হাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা এক ছাতার নিচে মিলবে। সেখানে চিকিৎসক পদায়ন করা হবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা এবং স্তন ও জরায়ু ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তের কাজ করবেন।’
চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণের ব্যাপারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘উপজেলা হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ১৫১টিতে উন্নীত করা হচ্ছে এবং চালু হচ্ছে ডায়ালাইসিস সেবা। জেলা হাসপাতালে ১০টি এবং ডিস্ট্রিক্ট হেডকোয়ার্টার হাসপাতালে ৫০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন বসানো হচ্ছে।
মেডিকেল কলেজের শিক্ষক সংকট ও আইসিইউ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী বলেন, দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে বন্ধ থাকা আইসিইউ ও নতুন মেডিকেল কলেজ চালু করা হবে। সেবার মান বাড়লেও কারও কর্তব্যে অবহেলা বরদাশত করা হবে না বলেও সংশ্লিষ্টদের তিনি সতর্ক করে দেন। আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় জেলা প্রশাসক মো. আল মামুন মিয়া, সিভিল সার্জন ডা. আল মামুন, জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েলসহ স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।