উইগানের বিপক্ষে গোল উৎসব করে ৬ বছরে আর্সেনালের প্রথম

শক্তি-সামর্থ্যে আর্সেনালের চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে উইগান অ্যাথলেটিক। মাঠের খেলায়ও দেখা গেলো সেটি। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়ে গোলবন্যায় ভাসালো আর্সেনাল। এতে দীর্ঘ ছয় বছর পর এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে জায়গা করে নিল গানাররা।রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে এফএ কাপের ম্যাচে ৪-০ গোলের বড় জয় তুলে নিয়েছে মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা। ২০২০ সালে এফএ কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এটিই আর্সেনালের সেরা সাফল্য।

এমিরেটস স্টেডিয়ামে লিগ ওয়ানের দল উইগানের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ম্যাচ নিজেদের পকেটে পুরে নেয় আর্সেনাল। ম্যাচের ১১ থেকে ২৭—এই ১৭ মিনিটের ঝড়েই লন্ডভন্ড হয়ে যায় অতিথিদের রক্ষণভাগ।

গত ম্যাচে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ড্র করায় একাদশে আটটি পরিবর্তন এনেছিলেন আর্তেতা। তবে আক্রমণভাগে বুকায়ো সাকা, গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিদের মতো তারকাদের বসিয়ে রাখেননি তিনি।

ম্যাচের ১১তম মিনিটে এবারের আসরে নিজের গোলখাতা খোলেন ননি মাদুয়েকে। এবেরেচি এজের পাস থেকে বল পেয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। ৭ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুন করেন মার্তিনেল্লি। এজের দ্বিতীয় অ্যাসিস্ট থেকে স্যাম টিকলকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।২৩ মিনিটে সাকার একটি আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে বসেন উইগান ডিফেন্ডার জ্যাক হান্ট। ২৭ মিনিটে জেসুস দলের চতুর্থ ও শেষ গোলটি করেন। গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল চিপ করে জালে পাঠিয়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

পুরো ম্যাচে আর্সেনালের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধেই ৪ গোল খাওয়ার পর উইগান কেবল ব্যবধান কমানোর চেষ্টায় ছিল। তবে জো টেলরের একটি দারুণ শট দক্ষতার সঙ্গে রুখে দেন আর্সেনাল গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা।

দ্বিতীয়ার্ধে সাকার পরিবর্তে ভিক্টর গিওকেরেসকে মাঠে নামানো হয়। তিনি গোল করার খুব কাছাকাছি গেলেও বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। শেষ দিকে মার্তিনেল্লির একটি জোরালো হেড উইগান গোলরক্ষক টিকল প্রতিহত করলে স্কোরলাইন আর বড় হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *