পারমাণবিক খাতের নানা উদ্ভাবন নিয়ে কথা বলতে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প দাবি করেন, ওয়াশিংটন ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে তিনি এ-ও স্পষ্ট করেন, যে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের জন্য মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত বা ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ রয়েছে। খবর আলজাজিরার।
ইরানের ওপর সম্ভাব্য ‘ভয়াবহ সামরিক হামলা’ সংক্রান্ত আগের এক বক্তব্যের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, আমরা ওদের সঙ্গে কথা বলছি। ট্রাম্পের এই মন্তব্যটি চলতি সপ্তাহে শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত। এতদিন প্রশাসনিক ইঙ্গিত ছিল যে কূটনীতির পথ প্রায় রুদ্ধ হয়ে এসেছে এবং নজর এখন কেবল সামরিক পদক্ষেপের দিকে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে যুদ্ধের সম্ভাব্য ‘এক্সিট স্ট্র্যাটেজি’ বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে বলেন, আমার মতে আমাদের কাছে অনেকগুলো বিকল্প পথ রয়েছে।
তেহরানকে সতর্ক করে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান বিষয়টিকে এখন বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে। তাদের সেটাই করা উচিত। কিন্তু আলোচনার কথা বললেও সামরিক হুমকির সুর থামাননি তিনি। একই মুখে ট্রাম্প মনে করিয়ে দেন যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এখনও পুরোপুরি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন বলে জানান ট্রাম্প। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানকে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হতে দেওয়া হবে না। তবে চুক্তি স্বাক্ষরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো তাড়াহুড়ো নেই।