নারী ফুটবলে নতুন সিদ্ধান্ত ফিফার

নারী ফুটবলের দ্রুত বিকাশের পাশাপাশি কৌশলগত ও নেতৃত্বের ভূমিকায় নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা। ফিফার সর্বশেষ কাউন্সিল সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ফিফা আয়োজিত যেকোনো নারী টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সব দলকে একজন নারী প্রধান কোচ বা সহকারী কোচ রাখতে হবে। খবর ইএসপিএনের।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী বেঞ্চে অন্তত দুজন নারী স্টাফ রাখতে হবে, যার মধ্যে কোচও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারেন। প্রতিটি দলের মেডিক্যাল স্টাফে অন্তত একজন নারী থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে ফিফা জানিয়েছে, এই উদ্যোগ তাদের বৃহত্তর কৌশলের অংশ, যার লক্ষ্য হলো নারী ফুটবলের দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কৌশলগত ও নেতৃত্বের ভূমিকায় নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো নিশ্চিত করা।

এটি সব ধরনের যুব ও সিনিয়র টুর্নামেন্ট, জাতীয় দলের প্রতিযোগিতা এবং ক্লাব প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। আগামী সেপ্টেম্বরে পোল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপের মাধ্যমে এর সূচনা হবে। এছাড়া, এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে নারী চ্যাম্পিয়ন্স কাপের দ্বিতীয় আসর, ২০২৭ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত নারী বিশ্বকাপ এবং দুই বছর পর প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাওয়া নারী ক্লাব বিশ্বকাপেও।

এই বিষয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, ‘অবশ্যই ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে আমাদের আরও নারীর অন্তর্ভুক্তি প্রয়োজন।’

ফিফার প্রধান ফুটবল কর্মকর্তা জিল এলিস বলেন, ‘বর্তমানে কোচিংয়ে নারীর সংখ্যা যথেষ্ট নয়। পরিবর্তন দ্রুত আনতে হলে আমাদের আরও সুস্পষ্ট পথ তৈরি করতে হবে, সুযোগ বাড়াতে হবে এবং মাঠের পাশে নারীদের উপস্থিতি বাড়াতে হবে।’

নারী ফুটবলের উন্নতি হলেও কোচিং পদের বেশিরভাগই এখনও পুরুষদের দখলে। ২০২৩ সালের নারী বিশ্বকাপে ৩২ জন প্রধান কোচের মধ্যে মাত্র ১২ জন ছিলেন নারী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *